বাংলা এডাল্ট গল্প: সুন্দরী বান্ধবী ও অচেনা এক দম্পতির বিশেষ সম্পর্ক !! পর্ব ৪ লেখক: Sumi


 বাংলা এডা₹#ল্ট গল্প: সুন্দরী বান্ধবী ও অচেনা এক দম্পতির বিশেষ সম্পর্ক !!  পর্ব ৪
লেখক: Sumi

সারারাত বাস journey করে দুইজনের চেহারাই বেশ বদখদ অবস্থা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হোটেলে গিয়ে ফ্রেশ হতে হবে। যদি রুম free থাকে।
হোটেলের reception এ গিয়ে নাম বললাম। চেক করে receptionist বলল স্যার আপনাদের রুম রেডি আছে। আমরাও হাফ ছেরে বাঁচালাম।

দীনার দিকে তাকিয়ে দেখি সে যে রাতে ব্রা খুলেছে তা ত আর পরে নি। ওর জামার উপর দিয়ে নিপল ভেসে আছে। আমি চোখের ইশারায় বলতেই ওড়না নিচে নামাল।
সোজা পাঁচ তলার চলে গেলাম রুম যেটা চেয়েছিলাম ঠিক সেটাই পেয়েছি। beach view deluxe.

দীনা রুমে ঢুকেই সোজা toilet এ চলে গেল। আমি নাস্তার order দিলাম আর লবিবয়কে বললাম ৮:৩০ এ রুমে যেন serve করে দেয়। দিনার বের হতে ১০ মিনিটের মত লাগল ততোক্ষণে আমি ব্যাগ খুলে কিছু জিনিস পত্র বের করে নিলাম।

তারপর আমিও ফ্রেশ হতে toilet এ ঢুকলাম। বের হয়ে দেখি দীনা একটা transparent nighty পরে আছে নিচে কোন ব্রা নেই আর নিচে একটা g-string প্যানটি পরা। পেছন থেকে পাছাটা বেশ দারুণ দেখাচ্ছে। আমার পরনে শুধু underwear.

দীনা আস্তে আস্তে কাছে এসে দুই হাত আমার গলার দুই দিকে দিয়ে জরিয়ে ধরল। আমিও বেশ আবেগ নিয়ে জরিয়ে ধরলাম এক হাত পিঠে রাখলাম অন্য হাতে রাখলাম ওর নিতম্বে।
দীনা কানে কানে বলল আর সহ্য হচ্ছে না। আমাকে please চুদ।
শব্দটা যেন আমার শরীরে বিদ্যুৎ চালনা করে দিল।

আমি ওর পাছায় খামচে ধরলাম। দীনা পাগলের মত আমাকে চুমু খাওয়া শুরু করল । আমিও ওর গালে ঠোঁটে ঘারে চুমু খাওয়া শুরু করলাম। আর ওর পেছনের দিক দিয়ে বেলকনির glass দরজার পর্দা গুলি খোলা বাইরে বিচে মানুষজন হাঁটা চলা করছে তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। দীনা হুট করে থেমে গেল আর এক ঝটকায় আমার underwear নামিয়ে দিল।

তারপর হাঁটু গেরে বসে ওর দুই হাত আমার পাছায় বুলাতে লাগল। আমি নিচে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। দীনা আমার দিকে তাকিয়ে আছে আর ওর ঠোঁটের সামনে আমা সারে ছয় ইঞ্চি বাড়া ৫০ degree angel এ উর্ধমুখি হয়ে আছে।

দীনা একটা হাতে আমার বাড়াটাকে ঠোঁট বরাবর করে সোজা মুখে পুরে দিল। দিনার মুখ সেই মুহূর্তে যেন ৪০ ডিগ্রি গরম হয়ে আছে। বেশ দক্ষতার সাথে এক হাতে টেনে টেনে বাড়া চুষে যাচ্ছে।

প্রায় তিন চার মিনিট চুষার পরে আমার সারা শরীরে অসম্ভব সুখ অনুভূতি হতে শুরু করল। বুঝতে পারলাম আমি আর ধরে রাখতে পারব না। দীনা কে শুধু বললমা আমার বের হবে। দীনা আর মুখ সরানোর সময় পেল না। এমনি আমার সম্পূর্ণ লোড দিনার মুখে ছেরে দিলাম। প্রথমে সে মুখে নেয়ার চেষ্টা করলেও সবটা নিতে পারল না। বাড়া মুখ থেকে বের করতেই ওর চেহারা গলা মাখামাখি হয়ে গেল। ততোক্ষণে মোবাইলটা পাশের টেবিল থেকে হাতে নিয়ে কয়েকটা snap নিয়ে নিলাম।

দীনা কথা বলতে পারছে না ওর মুখ ভর্তি বীর্য। আমার ডান পায়ে একটা কিল দিয়ে দীনা বাথরুমে চলে গেল। বাথরুমে গিয়ে দীনা ওয়াক ওয়াক শব্দ করতে লাগল। বুঝলাম প্রথমবার মুখে নেয়ার পরিণাম ভোগ করছে। কিছুক্ষণ পরে দীনা রাগি রাগি মুখ করে বাথরুম থেকে বের হল। বলল এটা কি হল?

আমি বললাম তুমি এত দারুণ সাঁক কর আমি কি করতে পারি।

দীনা বলল তাই বলে মুখে ছেরে দিবা।

আমি বললাম কেন কি হয়েছে?

দীনা বলল আমি কি কখনও মুখে নিয়েছি নাকি কেমন লবণ লবণ লাগছে। আমি পানির বোতল খুলে ওর হাতে দিয়ে বললাম নাও পানি খাও। কতদিন sex করি না বুঝতেই ত পারছ,( দীনা জানত আমি বউ যাওয়ার পর কারো সাথে কিছু করি নাই) তার উপর এত দারুণ সাঁক করলে আমি control করব কি করে বল। বলে ওর হাত ধরে বিছানার পাশে নিয়ে আসলাম। তারপর আমি বসে দিনার কোমর জরিয়ে ধরে পাছা টিপতে শুরু করলাম আর পেটে মুখ ঘসতে থাকলাম।

কিছুক্ষণ পরে দীনা ওর নাইটির দুই কাঁধের ফিতা খুলে দিল আর শরীর থেকে নাইটি টা পায়ের কাছে পরে গেল। ওর কালো শরীরে শুধু তখন একটা g string pantie.

আমি তখন ওর একটা মাই মুখে পুরে নিলাম আর এক হাত পেছনে নিয়ে ওর গুদের চেরার উপর নিয়ে রাখলাম। রসে একেবারে টইটুম্বুর হয়ে আছে গুদ। দেরি না করে মধ্যমাটা পুরাটা ঢুকিয়ে দিলাম। দীনা আহ আস্তে বলে চিৎকার করে উঠল।

দীনা আর দাড়িয়ে থাকতে না পেরে আমার কোমরের দুই দিকে দুই পা দিয়ে আমার কোলে বসে পরল। তখন আমি সমানে একটার পর একটা মাই চুষে যাচ্ছি আর এক আঙ্গুল দিয়ে গুদের ভেতর জোরে জোরে নাড়ছি। দীনা দুই পা দিয়ে আমাকে বেশ জোরে চেপে ধরে আছে। ওর গুদের তাপ তখন আমার বাড়ায় গিয়ে লাগছে আর আমার বাড়াও জেগে উঠছে।

এভাবে কতক্ষণ ছিলাম জানি না দীনা আমার কানে কানে বলল চুদ আমাকে জলদি ঢুকাও না হলে আমি মরে যাব। আমি তখন দীনাকে এক ঝটকায় বিছানায় ফেলে পাশের টেবিলে রাখা ছেরা কনডমের প্যাকেট থেকে কনডম বের করে আমা বাড়ায় পরে নিলাম। একটানে দীনাকে বিছানার কোনায় এনে কোমরটা নিচু করে এক ঠাপে পুরাটা দিনার গুদে পুরে দিলাম। দীনা আমার পিঠ খামচে ধরে বলল সামস্ আস্তে, আমি দিনার কোন কথায় কান না দিয়ে কোমর তুলে আরও জোরে এক ঠাপ দিতে যাব তখন দীনা ওর দুই পা চাপিয়ে এনে কিছুটা আটকে দিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হল ?

দীনা তখন দম নিতে নিতে বলল আস্তে ঢুকাও মেরে ফেলবে ত। তখন আমি কোমরটা আলতো করে উপরে তুলে হাল্কা করে ঠাপ দিয়ে বাড়া পুরাটা ভেতরে দিয়ে চেপে ধরলাম ওর গুদের ভেতর। দীনা তখন একটা মোচর দিয়ে আহ করে একটা শব্দ গুদের রস ছেড়ে পা বিছানার বাইরে ঝুলিয়ে দিল।

আমি ওর উপর শুয়ে কানে কানে বললাম দুই ঠাপেই পরে গেল। দীনা শুধু মুখ দিয়ে উহ একটা শব্দ করতে পারল।

ঘর তখনও Ac ঠাণ্ডা করতে পারেনি দুইজনই ঘেমে চেপচেপে অবস্থা। দীনাকে বলল একটু উপরে উঠে শুতে। আমি উঠে দাঁড়ালাম আর আস্তে করে বাড়াটা বের করে নিলাম দেখলাম দিনার গুদের রসে বিছানার চাদর ঐ অংশ পুরা ভিজে আছে।

দীনা এক হাতের উপর ভর দিয়ে বিছানার মাঝে গিয়ে চার হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে পরল। আমি ওর পায়ের ফাকে শুয়ে আস্তে আস্তে বাড়াটা ঢুকিয়ে নিলাম আর খুব slowly কোমর উঠা নামা করতে থাকলাম। দীনা এবার আমার দিক তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল I love you. আমি হাসলাম কিন্তু কিছু বললাম না। তারপর দেখলাম ওর দুই চোখের কোলে পানি।

আমি জানতাম পরিপূর্ণ শারীরিক প্রশান্তির পর অনেক মেয়েরাই নাকি emotional হয়ে যায়। এটা হয়ত দিনার জন্য এমনই একটা সময়।

আমি ঠাপ বন্ধ করে বাড়া দিনার গুদে রেখেই ওঁকে চুমু খেলাম। দীনাও সারা দিল। এবার দীনা ওর দুই পা দুই দিকে ভাজ করে রাখল। আমি তখন পা দুটি কাঁধের উপর নিয়ে কয়েকটা জোরে ঠাপ দিয়ে ভিতরে চেপে ধরে রাখলাম দীনাও মুখ দিয়ে আহ… আহ… শব্দ করতে লাগল আর বলল একদম পেটে চলে যাচ্ছে সামস্।

এভাবেই কিছুক্ষণ যোরে কিছুক্ষণ আস্তে চলতে লাগল দুই শরীরের খেলা থপ থপ শব্দ প্রতিধ্বনিত পুরো ঘর জুরে এর সাথে দিনার সীৎকার। এ যেন এক অনবদ্য কোরাসে রুপান্তর হল।
হঠাৎ রুমের বেল বেজে উঠল মোবাইলের screen এর দিকে তাকিয়ে দেখি ৮:১০ মনে হয় নাস্তা নিয়ে আসছে।

দীনা বলল এখন কি করব আমার ত কাপড় ও বের করা নেই। আমি বললাম toiletএ চলে যাও। আমি ব্যাগ থেকে একটা trouser বের করে পরে দরজা খুলে দিলাম।
Hall boy একটা try নিয়ে রুমে ঢুকল আর টেবিলের উপর নাস্তার প্লেট সাজাতে থাকল।

তখন আমি রুমের দিকে তাকিয়ে খেয়াল করলাম কি নাজেহাল অবস্থা। আমার underwear পড়ে আছে মাটিতে দিনার লাল transparent nighty পরে আছে বিছানার পাশে যেখানে বয় নাস্তা সাজাচ্ছে, টেবিলের উপর কনডমের ছেরা প্যাকেট বালিশের উপর দিনার g-string প্যানটি আর সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার দীনা যখন উঠে বসেছে তখন ওর গুদের রস গড়িয়ে পরে বিছানার ঠিক মাঝখানে একটা ভেজা দাগ হয়ে আছে যা সাদা চাদরের উপর স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।

নাস্তা রেখে ছেলেটা বেরিয়ে গেল। আমার তখনও বাড়া দাড়িয়ে আছে। toilet এর দরজায় নক করতেই দীনা একটা টাওয়াল জরিয়ে বেরিয়ে আসল।
এসেই আমাকে একটা কিল দিল আমি বললাম কি হল?

বলল কি আর হবে ফাটিয়ে দিয়েছ। হিসুর সাথে রক্ত বের হয়েছে।
আমি বললাম রাম ঠাপ ত এখনও বাকি আছে তার আগে ফেটে গেলে হবে?
বলেই টাওয়াল টা টান দিয়ে খুলে ফেললাম।
দীনা বলল আর না।
আমি বললাম আমার হয় নি।

বলেই ওঁকে চোয়ারে উপর ভড় দিয়ে উপুড় হয়ে দাড়াতে বললাম। চেয়ারটা ছিল বেলকনির পাশে।
দীনা বলল এই পর্দা খোলা আমি বললাম থাকুক খোলা। বলেই পেছন থেকে বাড়া ঢুকানোর চেষ্টা করলাম।

বুঝলাম এতক্ষণ বিরতির ফলে দিনার ভোদাও শুকিয়ে গেছে আর আমার বাড়ার একটু নরম হয়ে গেছে। তাই কনডম খুলে ফেললাম আর দিনার গুদে আঙ্গুল ঢুকাতে বের করতে থাকলাম।

দীনা বলতে লাগল এখন আর না please কিন্তু ততোক্ষণে দিনার গুদ আবার ভিজে গেছে আর আমি কনডম ছাড়াই পেছন থেকে দাড়িয়ে বাড়া গুদে চালান করে দিলাম। দীনা ইসসসসসসস করে উঠল।

আমি পেছন থেকে ঠাপাতে থাকলাম পুরো দমে। আর দুই হাত দিয়ে পালা করে দুই দাবনায় চাপড় মারতে থাকলাম।

দীনা বলতে লাগল সামস্ বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছে পর্দাটা টানো আমি বললাম কে এই সময় পাঁচতলায় তাকিয়ে থাকবে দেখার জন্য কি হচ্ছে।

Enjoy the view in front of you and my dick behind you. বলেই দুই হাতে কোমর টেনে টেনে জোরে ঠাপ দেয়া শুরু করলাম। এই ঠাপের শব্দ যেন প্রতি ঠাপের সাথে দ্বিগুণ তিনগুণ বেরে চলেছে আর দিনার সীৎকার এবার চিৎকারে পরিণত হয়েছে। দীনা বলতে লাগল আরে জোরে আরও জোরে সামস্ ছিরে ফেল বলেই শরীরে একটা ঝাঁকুনি দিল। বাড়া দিকে তাকিয়ে দেখি সাদা ফ্যদা জমে আছে গোরার দিকে।

আরো মিনিট পাঁচেক এই পজিশনে ঠাপানোর পর আমার বের হওয়ার সময় হল কয়েকটা জোরে ঠাপ দিয়ে বাড়া বের করে দিনার গুদ থেকে বের করে ওর পিঠে মাল আউট করলাম। তারপর পেছনে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পরলাম।

দীনা আবার toilet এ গিয়ে fresh হল। তারপর দুইজন নাস্তা করে যখন ঘুমোতে গেলাম তখন মনে হচ্ছিল শরীরে যেন এক ফোটাও আর শক্তিও বাকি নেই। 

 ঘুম ভাঙল বসের ফোনে।

বৃহস্পতিবার তাই অফিস খোলা। প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিয়ে ফোন রাখতে সময় লাগল ৪ মিনিট।
তখন দেখলাম ১:৪০ বাজে। টয়লেট এ গিয়ে গোসল করে বের হলাম।

দীনা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে চিত হয়ে ঘুমাচ্ছে। একটা হাট ভাজ করা তাই ওর যোনি একটু ফাঁক হয়ে আছে। গোলাপি গহ্বরটা দেখে মনে হচ্ছে একবেলার গাদনে অনেকটা খাক হয়ে গেছে। ভিডিও চেটিং এর সময় আরও টাইট মনে হয়েছিল।

হেটে বিছানার পাশে গিয়ে ঝুঁকে ঠোঁটে একটা চুমু খেলাম আর গুদের চেরায় দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে হাল্কা চাপ দিয়ে বললাম উঠেন মেডাম 2 টা বাজে, তৈরি হয়ে নেন। দুপুরের খাবার খেতে যাব।

দীনা একটা মোচর দিয়ে বলল এত রোমান্টিক ভাবে ডাকলে কি বিছানা ছারতে ইচ্ছে করে..? এখানেই সারাদিন কাটিয়ে দিতে মনে চায়। বলে উঠে বসল আর আমিও সোজা হয়ে দাঁড়ালাম। আর আমার বাড়াটা ওর মুখের কাছে ঝুলতে দেখেই দীনা খপ করে ধরে মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। কয়েকবার চুষতেই বাড়া শক্ত হয়ে গেল। আমি তখন মাথা ধরে কোমর পেছনে নিয়ে মুখ থেকে বাড়া সরিয়ে নিলাম।
দীনা কামুক একটা দৃষ্টি দিয়ে বলল কি হল গো স্বাদ মিটে গেছে।

দিনার হাত ধরে টেনে দাড় করিয়ে নিজের শরীরের সাথে জরিয়ে পাছায় টিপে আর ঠোঁট চুষে বললাম কোন সক্ষম পুরুষকে বলতে শুনেছ যে ভোদার স্বাদ মিটে গেছে।
কিন্তু মেডাম ইঞ্জিন চালাতে মেশিনেত কিছু তেলও দিতে হয়। বলে দীনাকে বাথরুমের দিকে মুখ করে পাছায় একটা চাপর মেরে বললাম যান ফ্রেশ হয়ে নেন।

আমি একটা টিশার্ট আর জিন্স পরে নিলাম। আর দীনা আধাঘণ্টা পর টয়লেট থেকে বের হল বের হয়ে বলল সামস্ আমার vagina একটু ফুলে গেছে মনে হচ্ছে রানের সাথে ঘসা লাগছে।
আমি বললাম অনেকদিন পরে করেছ তাই এমন হয়েছে হয়ত ঠিক হয়ে যাবে।
তারপর দীনা একটা স্কার্ট আর টপস পরল তার সাথে লম্বা ওড়না।
ডাইনিংয়ে গিয়ে খাবার order দিতে দিতে ২:৫০ বেজে গেল। খাওয়া শেষ করতে করতে সারে তিনটা।

রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে হোটেলের লবিতে এসে দাঁড়ালাম উদ্দেশ্য ছিল বাইরে যাওয়ার, কিন্তু বাইরে রোদের ঝলকানি দেখে মত পরিবর্তন করলাম। কি আর করা আবার রুমে ফিরে গেলাম। দীনা রুমে গিয়ে সব কাপড় খুলে বিছানায় গেল বলল আমার আবার ঘুম পাচ্ছে।

ব্যাস চাদর মুরি দিয়ে শুয়ে পরল। কিছুক্ষণ পরে ওর জোরে জোরে নিশ্বাস পরার শব্দ শুনতে পেলাম।

আমি একটা সিগারেট হাতে নিয়ে বেলকনির পাশে এসে বসলাম। বেলকনিতে তখন রোদ ফেটে পরছে নয়ত সেখানেই বসা যেত। দুরে সমুদ্রের ঢেউয়ে কিছু নারী পুরুষ লাফ ঝাপ করছে।

সিগারেট টা ধরাতেই যেন ভাবনার দরজা টা খুলে গেল। বা দিকে তাকিয়ে দিনার দিকে তাকালাম। সাদা বিছানায় ওর কালো শরীরটা কেমন abstract লাগছে। ঠিক একটা ভশ্কর্যের মত লাগছে।

দিনার শরীরটা ঠিক মেয়েলি না। rough skin চওড়া মাংসল কাঁধ কোমর চওড়া শুধু পাছাটা একটু বড়। বক্ষ ঠিক সুন্দরের মধ্যে পরে না চিত হয়ে শুয়ে থাকলে দুই দিকে ঝুলে পরে। তবে sex এর সময় বেশ crazy হয়ে উঠে তাতে একটা extra vibe create করে।

আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর ফিগার নিশন্দেহে আমার বউয়ের। তারপর মোহাম্মদপুরের আপু তারপর বগুড়ার সেই লজ্জাবতী। এদের কাউকে উপভোগ করতে আমার এত সময় বা টাকা খরচ হয় নি কিন্তু এই মেয়ের জন্য এত কিছু কেন করছি ঠিক ভেবে পাচ্ছি না।

দুরে দিগন্তের দিকে তাকিয়ে কিছুটা উদাস বোধ করলাম। জীবন কি হবার কথা ছিল আর এখন কোথায় যাচ্ছি।

একজনের সাথেই প্রেম বিয়ে সব করলাম ভেবেছিলাম জীবনটাই পার করে দিব।তারপর একদিনের ঘটনায় সব উল্টে গেল। গুলশানের KFC দুপুর ২:২০ may 2016.

হরেক রকম ভাবনা ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ নূপুর আর সানাহ সাহেবের কথা মনে পরে গেল। কাল তাদের ২৩ তম বিবাহ বার্ষিকী। আপাত দৃষ্টিতে খুব সুখী দম্পতি বলেই মনে হল। বয়সের কারণে কিছু খুঁট খাট ত হতেই পারে। এখন কি করছে তারা হয়ত গাড়ি টারি নিয়ে ঘুরছে। নয়ত একে অপরকে জরিয়ে ধড়ে হোটেল থেকে সমুদ্র দেখছে। এমন আরও রাজ্যের চিন্তা করতে করতে চেয়ারে হেলান দিয়ে কখন ঘুমিয়ে গেছি বলতেও পারি না।

ঘুম ভাঙল দিনার ডাকে। দীনা ওর নগ্ন শরীর আমার কোলের উপর ছেড়ে দিল আর বা হাত দিয়ে গলা জরিয়ে ধরল। ওর একটা মাই আমার মুখে এসে ঘসা লাগল। আর কোমরটা আস্তে আস্তে সামনে পেছনে করতে লাগল। এর অর্থ কি তা আর খুলে বলার প্রয়োজন নেই।

আমিও আমার একটা হাত দিনার দুই পায়ের মাঝে চালান করলাম আর একটা মাই মুখে পুরে চুষতে শুরু করলাম। দীনা আও করে একটা শব্দ করল। দেখলাম তেমন কাজের দরকার নেই যোনি তৈরিই আছে। ট্রাউজারের ভেতর আমার বাড়াও তার অস্তিত্ব জানান দিতে লাগল। দীনা চোখ বন্ধ করে আমার আঙ্গুলের কারসাজির মজা নিতে থাকল। আর মুখে আহ…আ…..উফ…সামস্ সিৎকার দিতে লাগল। কিছুক্ষণ পরে দিনার কানে কানে বললাম দাড়াও।

দীনা উঠে দাঁড়ালো আমি দীনাকে চেয়ারে বসিয়ে ওর দুই পা দুই হাতলে তুলে দিলাম। আর হাঁটু গেরে বসে ওর ফাঁক হয়ে থাকা যোনিটা দেখতে লাগলাম। ওর শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গটা আসলে ওর যোনিটাই। ভেতরের রঙ একদম টকটকে গোলাপি। আমি বা হাতের দুই আঙ্গুল যোনিতে ঢুকিয়ে দিলাম। দিনার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম চোখ বন্ধ করে আছে।

তারপর মুখটা কাছে নিয়ে যোনির সোঁদা গন্ধটার স্বাদ নিলাম। দেখলাম উৎকট গন্ধ নেই। আর দেরি না করে সরাসরি যোনি উপরের অংশে মুখ নিয়ে ভগ্নাকুরটা ঠোট দিয়ে চেপে ধরে জিব দিয়ে ভগ্নাকুরের মাথাটা চাইতে শুরু করলাম।

দিনার শরীরটা একটু কেপে উঠল আর মুখ দিয়ে আ…..হ করে একটা শব্দ করল।

কয়েক মিনিট এভাবে চুষার পর দীনা একটা জোরে শ্বাস নিয়ে বলল কি করছ সামস্ আমি ত পাগল হয়ে যাচ্ছি বলে আমার মাথাটা যোনির সাথে চেপে ধরল আর পা-দুটো চেয়ারের হাতল থেকে সরিয়ে আমার কাঁধের উপর নিয়ে আসল।

আমি টাল সামলাতে যোনি থেকে হাত সরিয়ে নিলাম আর জ্বিব দিয়ে পুরা ভোদাটা নিচ থেকে উপর পর্যন্ত চেটে দিলাম। দীনা এবার বেশ জোরেই আ….হ করে একটা চিৎকার দিল আর জোরে জোরে দম নিতে নিতে দাতা চেপে বলল আরও করো আরও করো আমার ভোদা কামরে ছিরে ফেল। আমি তখন আমার পুরা মুখ দিনার ভোদার সাথে চেপে ধরলাম আর জ্বিব ভোদার ভিতর ঢুকিয়ে দিলাম।

দীনা সুখে আর্তনাদ করতে শুরু করল। আর মুখে আবোল তাবোল বলা শুরু করল “খেয়ে ফেল খেয়ে ফেল সব রস বের করে ফেল মেরে ফেল আমায়” বলতে বলতে কোমর কয়েকবার উঁচু নিচু করল আর আমি মুখ সরিয়ে দুই আঙ্গুল ভেতরে ঢুকিয়ে জোরে আঙলি করতে শুরু করলাম।

বুঝতে পারছিলাম দিনার এখন squirting হবে। দীনা যতটুকু সম্ভব পা দুই দিকে ছড়িয়ে দিল। আমি আঙ্গুল বের করে আবার মুখ দিলাম জ্বিবা দিয়ে একবার চেটে আবার আঙ্গুল দিয়ে কয়েকটা ঝাঁকি দিতেই দীনা আহ করে চিৎকার করে চেয়ারের দুই হাতল শক্ত করে ধরে চেয়ার সহ কয়েকটা ঝাকি দিল আর ভোদার রস পিচিক পিচিক করে ছারতে লাগল যা আমার শরীরে ছিটে ছিটে আসতে লাগল।

আবার আঙ্গুল ঢুকিয়ে নারা দিতে আরেক দফা রস ঝরাল দীনা তারপর আমি মাটিতে বসে ওর শরীরে ঝাঁকুনির দেখতে লাগলাম আর দিনার যোনি থেকে হলকে হলকে বের হওয়া পাতলা রসের ধারা দেখতে লাগলাম।

কিছুক্ষণ পর পরই দিনার শরীর হাল্কা করে ঝাঁকুনি দিচ্ছিল। দীনা এখন কোন রকমে চেয়ারে ঝুলে আছে। আমি বাইরে তাকিয়ে দেখলাম সূর্য ঠিক সমুদ্রের পানির উপরে লাল হয়ে আছে। ঘরের কোন বাতি জ্বালানো নেই। প্রায় অন্ধকার সূর্যের শেষ কিরণ দিনার শরীরে এসে পরছে। আর সেই আলোতে দেখা যাচ্ছে দিনার কম্পমান শরীর। প্রায় পাঁচ মিনিট পরে দীনা বলল পানি খাব।

আমি উঠে গিয়ে গ্লাসে পানি ঢেলে দিনার হাতে দিলাম। দিনার হাত তখনও কাঁপছে।
দীনা বলল সামস্ তুমি আমাকে এ কোন সুখ দেখালে।

আমি বললাম একে বলে full body orgasm. তারপর দীনা চেয়ারে সোজা হয়ে বসল। ততোক্ষণে সূর্যাস্ত হয়ে গেছে। আমি রুমের পর্দা টেনে দিয়ে বাতি জ্বালালাম। দেখলাম আমার সারা শরীর দিনার রসে ভরে আছে ট্রাওজার ভিজে গেছে।

দীনা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে একটু লজ্জা মাখানো হাসি দিয়ে বলল মুখ ধুয়ে আস। আমি বাথরুমে ঠুকে বেসিনের আয়নার সামনে দাড়িয়ে দেখলাম আমার মুখে সাদা সাদা ফেদা লেগে আছে। কল ছেড়ে ধুইতে গিয়ে মনে পরল শরীরে ও তো ছিটে আসছে।

ট্রাউজারটা খুলে শাওয়ারের নিচে দাড়াতেই মনে পরে গেল আমার বউয়ের প্রথম squirting এর কথা। সেদিন আমাকে জরিয়ে ধরে কেন যেন খুব কেঁদেছিল। তখন আমাদের প্রেমের বয়স দেড় বছর।
দীনা কখন পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে খেয়ালই করি নাই।

দুইজন বেশ অনেকক্ষন কোন কথা না বলে গোসল করলাম। দীনা একবার হাঁটু তে ভর করে বসে আমার বাড়া মুখে নিতে চাইল, আমি বাঁধা দিলাম। কেন যেন ঐ মুহূর্তে আর ইচ্ছে করছিল না।

গোসল শেষ করে আমি আগে বের হলাম তৈরি হয়ে নিলাম। দীনা বের হল একটু পরেই। বললাম চল বিচে যাই।

হোটেল থেকে বের হতেই দেখলাম ডাব ওয়ালা, দুইটা কাটতে বললাম। আমি একটা নিলাম দীনাকে একটা দিলাম। শেষ করে আরও দুইটা দিতে বললাম। দীনাকে কানে কানে বললাম শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়েছে ডাবের পানি খেলে শরীর চাঙ্গা লাগবে।

দ্বিতীয়টা হাতে নিয়েই পেছন থেকে একটা ডাক শুনলাম।

Young man বেশি করে ডাবের পানি খাও। পৃথিবীতে এই একটা জিনিসই এখনও খাঁটি আছে হয়ত। কাছে এসে দীনাকে বলল hello young lady.

আমি একটা হাসি দিয়ে বললাম আপনিও নিন।

সে সহাস্যে বলল অবশ্যই why not……!
চলবে..



ইতি,
Sumi

Post a Comment

Previous Post Next Post
       Click to Watch