#সুন্দর_বনের_নদীতে
পর্ব – 5
• সকালে মা ডাক দিল, এই ওঠ অনেক বেলা হয়ে গেছে, প্রায় ৮ টা বাজে সকালে আবার বৃষ্টি নেমেছে। যাও সোনা জল বের করে দিয়ে আস আমি তোর বুনুকে দু/ধ দিচ্ছি।
আমি- গিয়ে দেখি অনেকজল জমে আছে মানে আবার ভালই বৃষ্টি হচ্ছে সব পাম্প করে জল বের করে ফিরে এসে ফ্রেশ হলাম।
মা- তোর বোন জানিস অনেক সকালে উঠেছে এখন আর ঘুমাবে না। নিচে প্লাস্টিক তুমি দিয়েছিলে নাকি।
আমি- হ্যা যদি হিসি করে ভিজিয়ে দেয় এমন বৃষ্টি তাই।
মা- খুব বুদ্ধিমানের কাজ করেছ তুমি। ওর হাতে কিছু একটা দিলে খেলা করত।
আমি- এনেছি মা বলে ব্যাগ থেকে ঝুঞ্ঝুনি বের করে দিলাম, মা ওকে বসিয়ে হাতে দিয়ে নিচে নেমে এল।
আমি বললাম, মা ফিডার এনেছ নাকি।
মা- হ্যা এনেছি
আমি- গুরো দু/ধ গরম করে ফিডারে ভরে নাও।
মা এখন লাগবেনা সকালে অনেক দু/ধ খেয়েছে বুকের। তুমি কি খাবে বল? পান্তা অনেক আছে।
আমি- এক কাজ কর ডিম ভাজ দুজনে পান্তা খাই তারপর বেলায় রান্না করবে।
মা- আচ্ছা বলে দুজনে নিচে গিয়ে ডিম ভেজে পান্তা খেয়ে নিলাম।
আমি- আমি জল ফেলে আসি আবার কেমন বৃষ্টি হচ্ছে দেখছি এখন আর পার দেখা যায়না সব জায়গায় জল। আমি গেলাম জল ফেলতে। বেশী জমে নাই কারন ফ্রেশ হওয়ার আগে আমি এদিকে প্লাস্টিক দিয়ে দিয়েছি। জেটুকু জমেছিল সব ফেলে দিলাম।
মা- এসে বলল এদিকে যদি কালকে প্লাস্টিক দিতে তবে এত কষ্ট করতে হত না। এখন কি করবে রান্না করতে বসবে।
আমি- না পড়ে সবে তো সারে ৮ টা বাজে চল উপরে যাই।
মা- আচ্ছা চল বলে দুজনে উপরে গেলাম। পাশাপাশি বসলাম। দেখেছ এখন আবার হাওয়া দিচ্ছে, বিরাম নেই ফাঁকা জায়গা হলে থাকতে পারতাম না একদম।
আমি- মায়ের হাত ধরে মা কালকে তো কিছু করতে পাড়লাম না আর কি পারবো কোনদিন। বলে মায়ের মুখটা টেনে আমার দিকে ঘুরিয়ে একটা চু/মু দিলাম।
মা- দিনের বেলা লজ্জা করে না, যা হবে রাতে এখন না।
আমি- মা আমি তো এখনো প্রমান করতে পাড়লাম না আমি পুরুষ, সে সুজোগটা দাও।
মা- হবে হবে পারবা তুমি। তবে এখন না পড়ে তোমার বোন জেগে আছে। ও ঘুমালে।
আমি- আচ্ছা ঠিক আছে সে না দিলে দু/ধ তো খেতে দাও।
মা- ওর সামনে বসে তাই হয় নাকি।
আমি- ও কি বোঝে ওওতো আমার সামনে বসে দু/ধ খেয়েছে।
মা- ইস লজ্জা করে আমার।
আমি- আমি তো গার্ড হয়ে আছি মিথিলার ও দেখতে পাবে না তুমি না/ইটি তোলনা। আমি বুনুর হাত ধরে এই আমি একটু মায়ের দু/ধ খাচ্ছি তুই কিছু মনে করিস না যেন। হাত নেড়ে বললাম।
মা- এই নাও বলে না/ইটির উপর দিয়ে বের করে দিতে গেল।
আমি- না মা এভাবে ধরে খাওয়া যাবেনা তোমার লাগবে তুলে দেই বলে আমিই মায়ের না/ইটি তুলে দিলাম। একটু জোর করেই।
মা- ইস লজ্জা করে সামনে মেয়ে রয়েছে।
আমি- হাত দুটো সরিয়ে মায়ের দু;ধের বোটা ধরে মুখে পুরে নিলাম চুষে চুষে দু/ধ খেতে লাগলাম। বাদিকের কিছুটা খেয়ে আবার ডানদিকের টা ধরে চু/ষে খেতে লাগলাম।
মা- এই সোনা সব শেষ করিস না ওর জন্য একটু রাখিস কিন্তু।
আমি- মায়ের দু/ধের বো/টা কামড়ে ধরে চু/ষে খাচ্ছি, আর ভালো করে মায়ের দু/ধ টিপে দিচ্ছি।
মা- মুখ ঢেকে কি করছে দেখ, আমাকে পাগল করে দেবে এবার।
আমি- মায়ের হাত সরিয়ে এবার মুখে মুখ দিলাম এবং মায়ে মুখের মধ্যে আমার জিভ ঢুকিয়ে দিলাম।
মা- আমার মুখ থেকে মুখ সরিয়ে ইস এভাবে করলে ঠিক থাকা যায় তুমি কি করছ সোনা। মেয়েটা জেগে আছে।
আমি- মাকে আমার কোলের উপর তুলে নিয়ে কি হয়েছে ও কি কিছু বুঝতে পারছে ৮ মাস বয়স ও কিছু বুঝবে না আমরা মা ছেলে কি করছি। বলে একটা হাতের আঙ্গুল মায়ের যো/নীতে ঢুকিয়ে দিলাম। রসে ভর্তি ওমা একি হয়েছে মা।
মা- হবেনা যা করছ এই সকাল বেলা আমাকে মে/রে ফেলবে মনে হয়। বলে মা আমার প্যা/ন্টের উপর দিয়ে হাত দিল আর ধরে বলল এখন তো শাবলের মতন হয়েছে, একদম দাঁড়ানো।
আমি- মাকে ভালো করে জড়িয়ে ধরে মা এখন দেব কিন্তু। কালকে পারি নাই আজ তোমাকে সুখি করব মা।
মা- জানিনা আমার ভালো লাগছে না কি হছে মেয়েটা জেগে আছে খেলা করছে।
আমি- দাড়াও বলে মাকে নামিয়ে নিজেই প্যা/ন্ট খুলে দিলাম। আমার সারে ৭ ইঞ্চি বাঁ/ড়া একদম খা/রা হয়ে আছে। বুনু একা খেলা করছে আমরা দুজনে খেলা করব।
মা- দেখ ইস কি অবস্থা ওর। মেয়েট কেঁ/দে উঠলে মাঝ রাস্তায় ছেড়ে দিতে হবে তখন ভালো লাগবে।
আমি- মা এস আর থাকতে পারছিনা এবার আমার কোলে আসো মা। কিচ্ছু হবেনা মা তুমি দেখ।
মা- এভাবে হবে পারবা তো।
আমি- আস না বলে মাকে তুলে কোলের উপর বসতে বললাম। আমি বাঁ/ড়া ধরলাম মা এসে বসল আমি মায়ের গু/দে 'বাঁ/ড়া সেট করে দিলাম। মা বসতে সব ঢুকে গেল।
মা- আঃ গেছে ভেতরে গেছে উঃ কি শক্ত আর লম্বা।
আমি- নাও এবার কোমর দোলাতে থাকো বলে মায়ের পা/ছা ধরে আমি তল ঠা/প দিতে লাগলাম।
মা- আমার ঠোঁ/ট কামড়ে ধরে আঃ সোনা উম ঢুকেছে আঃ সোনা ঢু/কেছে। এই বলে মা পা/ছা তুলে তুলে ঠা/প দিচ্ছে। মায়ের প্রতি ঠা/পে বোট কেঁপে উঠছে।
আমি- আম মা কি সুন্দর ঢুকছে বের হচ্ছে করো মা জোরে জরো কর, কালকে তোমার হয়নি আজ তোমার হবে মা।
মা- একটু নিচু হয়ে আমার ঠো/ট কামড়ে ধরে তুমিও দাও উম সোনা খুব আরাম লাগছে।
আমি- বাম হাত দিয়ে মায়ের পা/ছা ধরে করতে সাহায্য করছি এর এক হাত দু/ধ ধরে টিপে দিচ্ছি। মা কা/মনার আগুনে জ্বলছে বুঝতে পারছি তাই /পাছা তুলে তুলে ঘপাত ঘপাত করে ঠা/প দিচ্ছে। এত জোরে ঠা/প দিচ্ছে খাট কেঁপে কেঁপে উঠছে।
আমাদের মা ছেলের চো/দোন লীলা চলছে, মা আঃ আঃ দাও জোরে দাও আঃ আউ কি সুখ আঃ দাও দাও উম মাগো আঃ উম আঃ জোরে দাও মাকে আর জোরে উম সোনা দাও দাও উম বলে আমার কাছের উপর হাত রেখে পা/ছা তুলে তুলে ঠা/পিয়ে যাচ্ছে।
আমি- আঃ মা আর দাও মা ওমা এবার হচ্ছে তো মা।
মা- হুম খুব হচ্ছে উঃ আঃ দিচ্ছি তো জোরে জোরে দিচ্ছি বলে আরো পা/ছা তুলে দিচ্ছে প্রতিবারে আমার বাঁ/ড়া মায়ের গু/দ থেকে ৪/৫ ইঞ্চি বেড়িয়ে যাচ্ছে আবার ঢুকছে আমি দেখতে পাচ্ছি। আমাকে চু/দতে 'চু/দতে হাপিয়ে গেছে বুঝতে পারছি তাই বলছে আর পাচ্ছিনা কোমর ব্যাথা হয়ে গেছে।
মা আর পারছিনা গো বলে একটু এলিয়ে পড়ল আর পা ছড়িয়ে দিল, মায়ের পা গিয়ে বুনুর গায়ে লাগল, আর অমনি কেঁদে উঠল। মা আমার উপর থেকে নেমে গেল গিয়ে বোনের পাশে শুয়ে পড়ল। এবং ওকে বুকে তুলে নিল কাত হয়ে।
আমি- মায়ের পা ফাঁকা করে মাকে চিত করে দিলাম আর বললাম ওকে বুকে তুলে নিয়ে দু/ধ দাও দু/ধ মুখে দিলে কাদবেনা।
মা- ওকে তুলে নিয়ে বলল আমার সোনা মা তোমার লাগছে বলে একটা দু/ধ মুখে দিল। আর আমার দিকে তাকাচ্ছে।
আমি- পা একটু ফাঁকা করে আসতে করে বাঁ/ড়া মায়ের গু/দে ঠেকিয়ে দিলাম।
মা- ইশারায় না না করছে।
আমি- কিছুই শুনলাম না ভরে দিলাম মায়ের গু/দে' বাঁ/ড়া আর বললাম কি হয়েছে তুমি ওকে দু/ধ দাও আমি দেই। বলে মায়ের পা তুলে কাধের উপর নিয়ে চো/দা শুরু করলাম। মিথিলা দু/ধ খেয়ে শান্ত হল।
মা- আস্তে করে ওকে বুক থেকে নামিয়ে দিল। আর আমাকে ইশারায় ডাকল বু/কের উপর আসতে।
আমি- মায়ের পা নামিয়ে সোজা মায়ের বু/কের উপর শুয়ে পড়লাম। দু/ধ দুটো ধরে মাকে চু/দতে শুরু করলাম
আর বললাম কালকে রাতে তোমাকে সুখ দিতে পারিনি আজকে না দিলে হবে বলে জোরে জোরে পা/ছা তুলে ঠা/প শুরু করলাম।
মা বোনের একটা হাত ধরে বলল, খেলে মা খেলো।
আমি- হ্যা বোন তুমি খেলো আর আমি আর মা খেলি।
মা- মারব একটা ওকে এইসব বলে ছোট না। বলে আমার ঠোঁ/ট কামড়ে ধরল।
আমি- আমিও মায়ের ঠো/ট চুষে চুষে মুখের ভেতর জিভ দিয়ে পকা পক টাপ দিতে লাগলাম।
মা- পা দিয়ে আমার কোমর পেচিয়ে ধরে দাও জোরে দাও উঃ সোনা আমার, আমি জানতাম তুমি পারবে আমাকে সুখ দিতে তাই কালকে অত ভাবিনি। এই সোনা মাকে করে আরাম পাচ্ছিস তো।।
আমি- তুমি বুঝতে পারছ না আমি একটু সময় অপেক্ষা করতে পাড়লাম না বলে পা/ছা তুলে তুলে ঠা/পের উপর ঠা/প দিতে লাগলাম। তুমি আরাম পাচ্ছ খেলতে চাইছিলে না এখন।
মা- ওইটুকু মেয়ের সামনে বসে ছি ছি ভাব্লে কেমন লাগে। সে আবার নিজের ছেলের সাথে আমার থেকে খা/রাপ কেউ নেই।
আমি- তোমার মতন ভালো মা কেউ নেই বলে দিলাম বলে বাঁ/ড়া জোরে জোরে গেথে দিতে লাগলাম মায়ের গু/দে। যে মা ছেলেকে এত সুখ দেয় সে খারাপ।
মা- আর থামিস না বাবা ভালো করে দে আমি আর থাকতে পারবোনা সোনা। উঃ কতদিন পর এই সুখ পাচ্ছি আমি। জোরে জোরে ঘন ঘন দে আমাকে, উঃ মাগো মরে যাবো মনে হয় আমি।
আমি- উম সোনা মা তোমাকে আজ আমি স্বর্গ সুখ দেব মা এইত মা দিচ্ছি বলে ঘপা ঘপ ঠা/প দিতে লাগলাম। আমি এবার উঠে মায়ের গু/দের দিকে তাকিয়ে দেখি মায়ের কালো বালের মাঝখান দিয়ে আমার বাঁ/ড়া যাচ্ছে আসছে।
মা- উম দেখেনা আমার লজ্জা করে তুমি জোরে জোরে দাও আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি সোনা আস আমার বুকে আস দু/ধ ধরে ভালো করে দাও সোনা।
আমি- মায়ের বুকের উপর শুয়ে বললাম মায়ের গু/দখানা বেশ টাইট, তিন বাচ্চার জন্ম দেওয়ার পরেও।
মা- যা দিচ্ছ এভাবে কয়দিন দিলে কি হবে কে জানে উঃ না সোনা আস্তে এবার লাগছে ভেতরে উঃ না সোনা। খুব বড় তোমারটা সোনা র/সিয়ে দাও সোনা।
আমি- মায়ের মুখ কা/মড়ে ধরে দিচ্ছি তো সোনা মা আমার তোমাকে চু/দে সুখ দেব বাকী জীবন, তুমি আমার একমাত্র চো/দার সঙ্গী।
মা- আঃ সোনা উঃ না সোনা আর পারবোনা সোনা এই সোনা আমার কি হচ্ছে সোনা এই উঃ না আঃ আঃ আঃ দাও দাও বলে চিৎকার করে উঠল আঃ নাগো আঃ আঃ আর পারছিনা আঃ আউ মাগো দাও দাও সোনা দাও আঃ আঃ উঃ মাগো আঃ আঃ ।
আমি- মা আসতে বোন আবার কেঁ/দে উঠবে।
মা- কা/দে কাদুক আমি যে আর পারছিনা তুমি জোরে দাও আমার হবে দাও দাও।
আমি- মাকে চেপে ধরে সম্পূর্ণ বাঁ/ড়া চেপে রেখে ঠা/পের উপোর ঠা/প দিচ্ছি।
মা- আঃ সোনা গেল সোনা সব শেষ হয়ে গেল সোনা রে কি করলা আমাকে এত সুখ আঃ আঃ আঃ আঃ উম আঃ আঃ গেছে সোনা গেছে আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ আঃ উম আঃ বলে মা থেমে গেল।
আমি- মা থেমে গেলেও আমি ঠা/পিয়ে যাচ্ছি আমার যে হয়নি, আমি বললাম মা গরম গরম বের হয়েছে এখন পুরা পিছিল হয়ে গেছে আর টাইট নেই মা।
মা- আমার কতদিন পড়ে হল হবেনা অনেক বের হবে, তুমি দাও আমার ভেতর ঢেলে দাও। কাল রাতে যখন দিয়েছ এখনো দাও।
আমি- মায়ের ঠোঁ/ট কামড়ে ধরে আমার মা এত সে/ক্সি আমি বুঝি নাই। ওমা তুমি আমার মা থাকবে এই চো/দার সময়। তোমাকে চু/দে এত আরাম, কি বলব মা।
মা- ঠিক আছে সোনা তাই হবে দাও এবার তুমি আমার গু/দ ভরে দাও সোনা তোমার বাঁ/ড়ার রস।
আমি- কি করে দেব মা।
মা- আমাকে চু/দে ভরে দাও সোনা।
আমি- মায়ের মুখে চো/দা কথা শুনে আর থাকতে পাড়লাম তাই ঠা/প দিতে দিতে বললাম মা চু/দছি তোমাকে ।
মা- হ্যা সোনা চো/দ তোমার মাকে চু/দে ভরে দাও ভালো করে চু/দে দাও সোনা।
আমি- আঃ মা উম মা ওমা হবে আমার মা হবে মা হবে গো বলে মায়ের গু/দে চিরিক করে বী/র্য ভরে দিলাম। এবং থেমে গেলাম।
মা- আমার মুখে চুমু দিয়ে শান্তি বাবা।
আমি- হুম খুব শান্তি পেলাম মা।
কেমন লাগলো গল্পটি ?
চলবে...
পরের পর্ব আসছে
