মাথা নষ্ট,🫦করা সব ভাইরাল লিংক 🥵সরাসরি ভিডিও লিংক😍✅
মাথা নষ্ট,🫦করা সব ভাইরাল লিংক 🥵সরাসরি ভিডিও লিংক😍✅
Saxy চটি গল্পঃ-
তার সদ্য যৌবনপ্রাপ্ত দেহ ও মনে এই যে এখন এই মুহূর্তে অন্য সব ভাবাবেগ আর সংবেদন থেকে যৌনানুভূতিকে আলাদা করে রাখার প্রয়োজনীয়তা, এরকম কিছুই ঘটেনি এর আগে তার জীবনে। এবং সাহায্যের জন্যে তাকে এভাবে হাহাকারও করতে হয়নি। যৌন উত্তেজনা হলে পুরুষদের মধ্যে একটা লক্ষণ যেমন অত্যন্ত প্রকট হয়ে ওঠে তাদের সেই ভাব প্রকাশ পায় তাদের স্তনবৃন্তের কাঠিন্যলাভের মাধ্যমে। কিন্তু অ্যানির শরীরে সেরকম ভাব কখনো দেখা যায়নি এর আগে।
[এটা যৌনতা প্রকাশের লক্ষণ, এরকম কোনো ইঙ্গিতও তার দেহ কখনো দেয়নি, এমন কি অপর ভাবাবেগ, রোমান্টিক সাদৃশ্য, এসবের সঙ্গে তার জ্ঞান বা উপলব্ধি বলতে যা বোঝায়, সেরকম কিছুই ছিল না। যৌন ব্যাপারে অ্যানি ছিল একেবারে অনভিজ্ঞ। নারী ও পুরুষের কি সম্পর্ক, উভয়ের কাছে উভয়ের দেহের প্রয়োজনীয়তা এবং সেই প্রয়োজনের সদ্ব্যবহারে যে এক অনাস্বাদিত সুখানুভূতি জাগে উভয়ের দেহ-মনে এসব কিছুই জানা ছিল না অ্যানির।]
এমন অনেক মেয়ে আছে, যৌন ব্যাপারটা যার কাছে একেবারে অদ্ভুত, ঘৃণ্য এবং গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একটি মেয়েকে আমি জানি, বিয়ের জয়েও যে তার স্বামীর সঙ্গে দেহ মিলনে লিপ্ত হওয়া দূরে থাক এমনকি স্বামীর সঙ্গে একই শয্যায় তার সঙ্গি নী হয়নি বিয়ের পর অন্তত দু’মাস পর্যন্ত তো বটেই। যৌনবিদ তথা মনস্তত্ববিদরা বলে থাকেন, স্বামীর সঙ্গে মেয়েটির যৌন সংসর্গে আতঙ্কের প্রধান কারণ হল, তার যৌনজ্ঞানের অভাব।
বিয়ের ছ’মাস পরে মেয়েটি তার ফরেস্ট অফিসার স্বামীর সঙ্গে তার কর্মক্ষেত্রে চলে যায়। তার স্বামীর বাসস্থান ছিল জঙ্গলসংলগ্ন একটা বাংলোয়। সেখানে এক পূর্ণিমার রাত্রে মেয়েটি তাদের শয়নকক্ষের জানালার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেই সময় তাদের বাংলো সংলগ্ন উদ্যানে এক জোড়া হরিণ-হরিণী মৈথুন ক্রিয়ায় লিপ্ত ছিল, তারা তখন সৃষ্টির নেশায় বিভোর। মেয়েটি সেই প্রথম যৌনসংসর্গের দৃশ্য চাক্ষুস করে, আর সেই প্রথম সে বাস্তবে উপলব্ধি করে দেহ-মিলনের প্রয়োজনীয়তা। হরিণ-হরিণীর দেহ-মিলনের সেই দৃশ্য দেখে মেয়েটি তখন তার দেহে এমন এক অদ্ভুত উত্তেজনা এবং জ্বালা অনুভব করে যে সেই মুহূর্তে সে তার স্বামী সংসর্গের তাগিদটা ভয়ঙ্করভাবে অনুভব করতে থাকে।







